বাঁচাও নদী বাঁচাও দেশ, চাই দূষণ মুক্ত বাংলাদেশ, Dhaka, Friday, 01. December 2017

"বাঁচাও নদী বাঁচাও দেশ, চাই দূষণ মুক্ত বাংলাদেশ"

আমাদের সাথে যারা বাঁচাও নদী বাঁচাও দেশ, চাই দূষণ মুক্ত বাংলাদেশ এই স্লোগানে একাত্ততা প্রকাশ করতে চান তারা এই ইভেন্ট এর গোয়িং অথবা ইন্টারেস্ট এ কিলিক করে আমাদের আন্দোলন কে বেগবান করুন। পিলিজ শেয়ার করুন এই ইভেন্ট আপনার টাইম লাইনে। সবাইকে সচেতন করুন। দূষণ মুক্ত দেশ গড়তে আপনার এই সামান্য সহযোগিতা রাখতে পারে বিশাল অবদান।

২০১১ সালে বাংলাদেশের সংবিধানে ১৮(ক) ধারা সংযোজিত হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, রাষ্ট্র প্রকৃতি, বনভূমি, জীববৈচিত্র্য, জলাভূমি ইত্যাদি সংরক্ষণে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবে। লক্ষণীয়, নদী শব্দটি এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত নয়। কিন্তু আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী প্রতিটি নদীই জলাভূমি। অর্থাৎ আইন প্রণেতারা নদী সংরক্ষণ করতে হবে- এ কথাটা সরাসরি বলতে দ্বিধান্বিত ছিলেন। কিন্তু জলাভূমি শব্দটি অন্তর্ভুক্ত করে তারা রাষ্ট্রীয়ভাবে নদীগুলো রক্ষার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। দ্বিতীয় আইনটি হচ্ছে ২০১৩ সালের পানি আইন। এ আইনে ভূমি উপরিস্থিত পানিসহ সব ধরনের পানিকে দূষণমুক্ত রাখতে সুর্নিদিষ্ট ধারা অন্তর্ভুক্ত করতে এবং এ ক্ষেত্রে দেশের সর্বোচ্চ পর্যায়ে এ আইন বাস্তবায়নের জন্য দিকনির্দেশনা দিতে জাতীয় পানি কাউন্সিল গঠিত হয়েছে। তৃতীয় আইনটি হল ২০১৩ সালের নদী সংরক্ষণ আইন। অর্থাৎ আইনপ্রণেতারা সরাসরি নদীর অবয়ব এবং নদীর পানির গুণগত মান সংরক্ষণে উদ্যোগী হয়েছেন। লক্ষণীয়, আইনে সরাসরি নদী সংরক্ষণের কথা বলা হয়েছে। চতুর্থ আইনটি হল ১৯৯৫ সালের প্রকৃতি সংরক্ষণ আইন। আইন বাস্তবায়নের জন্য যথোপযুক্ত ধারা-উপধারা রচিত হয় ১৯৯৭ সালে। এরপর ২০১০ সালে আইনটি আরও পরিশীলিত করা হয় এবং বর্তমানে এর ধারা-উপধারাগুলো আরও শুদ্ধ করে তৈরি হচ্ছে। আমি অন্তত চারটি আইনের কথা বললাম, যার মাধ্যমে বাংলাদেশের নদীগুলোর স্বাস্থ্য ও অবয়ব পুনরুদ্ধার তো সম্ভবই- একই সঙ্গে নদীগুলোর প্রাকৃতিক অবস্থাও পুনরুদ্ধার সম্ভব। এবারে আসি বাংলাদেশের নদীগুলোর দুরবস্থার কারণ নিয়ে আলোচনায়। প্রথমত, শিল্পপ্রতিষ্ঠান তথা বিভিন্ন কারখানা থেকে অপরিশোধিত বিষাক্ত বর্জ নির্বিচারে নদীতে ফেলা হচ্ছে। বুড়িগঙ্গা দূষণের জন্য হাজারীবাগের ট্যানারি শিল্পকে সহজেই চিহ্নিত করা যায়, পোশাক শিল্পও কম দায়ী নয়। দূষণকারীদের আরেকটি উৎস একেবারে আলোচনায় আসছে না। এটি হচ্ছে রাজধানীর কঠিন ও তরল বর্জ্য। রাজধানীর পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা অত্যন্ত দুর্বল। পয়ঃনিষ্কাশন নালা থেকে সব তরল বর্জ্য প্রায় অপরিশোধিত অবস্থায় নদীতে পড়ছে। পাগলায় যে শোধনাগার আছে তার কার্যকারিতা অত্যন্ত সীমিত।

Friday, 01. December 2017, Dhaka, বাঁচাও নদী বাঁচাও দেশ, চাই দূষণ মুক্ত বাংলাদেশ

Find more interesting events
Get event recommendations based on your Facebook taste. Get it now!Show me the suitable events for meNot now